ল্যাভরভ বলেন, নিরাপত্তা পরিষদে গ্লোবাল সাউথের প্রতিনিধিত্ব আরও বাড়ানো প্রয়োজন। এশিয়া, আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকার প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার অংশ হিসেবে ভারত ও ব্রাজিলকে স্থায়ী সদস্য করার দাবির প্রতি রাশিয়ার সমর্থন রয়েছে।
তবে নিরাপত্তা পরিষদে জার্মানি বা জাপানের মতো পশ্চিমা দেশগুলোর জন্য নতুন করে স্থায়ী আসন দেওয়ার বিষয়ে সতর্ক অবস্থান জানান তিনি। ল্যাভরভের দাবি, এসব দেশ বর্তমানে সামরিকবাদ ও প্রতিশোধপরায়ণতার পথে এগোচ্ছে।
নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কার হলেও বর্তমান স্থায়ী সদস্যদের মৌলিক ক্ষমতা এবং ভেটো দেওয়ার অধিকার অপরিবর্তিত রাখতে হবে বলেও স্পষ্ট করেন রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতের স্থায়ী সদস্যপদের দাবির প্রতি রাশিয়ার পাশাপাশি মরিশাসও সমর্থন জানিয়েছে। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে দেওয়া বক্তব্যে মরিশাসের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ধনঞ্জয় রামফুল আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভারতের গঠনমূলক ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং দেশটির স্থায়ী সদস্যপদের দাবির প্রতি পূর্ণ সংহতি জানান।
বর্তমানে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য সংখ্যা ১৫। এর মধ্যে চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র—এই পাঁচটি দেশ স্থায়ী সদস্য। বাকি ১০টি দেশ অস্থায়ী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করে।
নিরাপত্তা পরিষদের কাঠামো সংস্কারের জন্য জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের ভোটের পাশাপাশি পাঁচ স্থায়ী সদস্যসহ দুই-তৃতীয়াংশ সদস্য রাষ্ট্রের অনুমোদন প্রয়োজন।
রাশিয়ার সমর্থন এবং অন্যান্য স্থায়ী সদস্যদের মিশ্র প্রতিক্রিয়া থাকলেও সংস্কার প্রক্রিয়াটি বর্তমানে অচলাবস্থায় রয়েছে। এর অন্যতম কারণ হিসেবে রাশিয়ার ঘনিষ্ঠ মিত্র চীনের তীব্র বিরোধিতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
নিউজ বাংলা চ্যানেল