শনিবার দিবাগত রাতে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে রাঁচির একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) ভোর ৪টার দিকে তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই কন্যা ও এক পুত্র রেখে গেছেন বলে জানিয়েছে এনডিটিভি।
সুদিব্য কুমার সোনু ২০১৯ সালে গিরিডিহ আসন থেকে বিধায়ক নির্বাচিত হন। ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত এই নেতা রাজনৈতিক কৌশলবিদ হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতেন।
তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন ও রাজ্যের পরিবহনমন্ত্রী দীপক বিরুয়া।
এক বিবৃতিতে ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা জানিয়েছে, কুমার সোনুর অকালমৃত্যু দল, সরকার এবং পুরো রাজ্যের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।
মৃত্যুর কয়েক দিন আগেও সরকারি দায়িত্ব পালন করেছেন সুদিব্য কুমার সোনু। ঝাড়খণ্ডের পর্যটন ব্যবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে রাজ্য সরকারের একটি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিয়ে তিনি কর্ণাটক সফর করেছিলেন।
নিউজ বাংলা চ্যানেল