কাঠমান্ডুর ন্যাশনাল ট্রমা সেন্টারে চিকিৎসাধীন রিহানা জানায়, বন্যার কারণে স্কুল ছুটি দিয়ে শিক্ষার্থীদের বাড়ি ফিরে যেতে বলা হয়েছিল। বাড়ি ফেরার পথে নদী পার হওয়ার সময়ই হঠাৎ প্রবল স্রোতের বন্যার পানি নেমে আসে।
রিহানা বলেছে, ‘আমি নিরাপদ থাকতে পেরে খুশি। তবে আমার বন্ধুদের কী হয়েছে, সে সম্পর্কে আমার কোনো ধারণা নেই।’
মেয়ের নিখোঁজ হওয়ার খবর পেয়ে এক বন্ধুর কাছ থেকে তথ্য নিয়ে তাকে খুঁজতে বের হন রিহানার মা রিতা। পরে মেয়েকে জীবিত ও নিরাপদ অবস্থায় ফিরে পেয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেন তিনি।
রিহানার মতো ভয়াবহ বন্যা থেকে প্রাণে ফিরেছেন ২৪ বছর বয়সী শ্রমিক বিবেক কুমারও। রাসুয়া জেলায় কাজ করার সময় আকস্মিক পানির স্রোতে ভেসে যাওয়ার পরিস্থিতিতে একটি আমগাছ আঁকড়ে ধরে নিজেকে রক্ষা করেন তিনি।
বিবেক বলেন, ‘গাছটি আঁকড়ে ধরে দেখতে পেলাম যে বাড়িতে কাজ করছিলাম, সেটি চোখের সামনে উধাও হয়ে গেল। আমগাছটা না থাকলে আজ আমি বেঁচে ফিরতাম না।’
এদিকে জার্মান ভূবিজ্ঞান গবেষণাকেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, ভূমিধসের অল্প কিছুক্ষণ আগে ওই এলাকায় ৪.৪ মাত্রার একটি ভূমিকম্প হয়েছিল।
তবে বুধবার (২৬ আগস্ট) সকালে নেপালে যে কম্পন অনুভূত হয়েছিল, সেটি ভূমিকম্পের কারণে হয়নি বলে পরে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস)। বুধবার রাতে সংস্থাটি জানায়, হিমবাহ ধসে পড়ার পর পাথর, কাদা ও ধ্বংসাবশেষের প্রবল স্রোত নেমে আসার ফলেই ওই কম্পনের সৃষ্টি হয়েছিল।
নিউজ বাংলা চ্যানেল