এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, ওই রাতে নিজ বাড়িতে স্ত্রীকে নিয়ে ঘুমিয়ে ছিলেন মারুফ মাতুব্বর (৩৮)। ঘুমের মধ্যে শিখা বেগম তার স্বামীর পুরুষাঙ্গ কেটে দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে মারুফ ব্যথায় চিৎকার করলে পরিবারের সদস্যরা সেখানে ছুটে আসেন।
পরে স্বজনরা গুরুতর আহত মারুফকে সদরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানিয়েছেন তার বড় ভাই রেজাউল মাতুব্বর।
রেজাউল মাতুব্বর জানান, মারুফ নারায়ণগঞ্জ শহরের একটি গার্মেন্টসে চাকরি করেন। প্রতি বৃহস্পতিবার তিনি বাড়িতে আসেন এবং শনিবার সকালে আবার কর্মস্থলে চলে যান। দীর্ঘদিন ধরে মারুফ ও তার স্ত্রীর মধ্যে দাম্পত্য কলহ চলছিল বলেও জানান তিনি।
ঘটনার বিষয়টি ভাঙ্গা থানায় জানানো হয়েছে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায় এবং শিখা বেগমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসে।
ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে শুক্রবার রাতেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। মারুফ মাতুব্বর ঢাকায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় আনা হয়েছে। তবে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
ওসি জানান, লিখিত অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিউজ বাংলা চ্যানেল