ওহাইওুর টিকিউএল স্টেডিয়ামে ম্যাচের ১৯ মিনিটেই দলকে এগিয়ে দেন মেসি। দুর্দান্ত এক হেডে মায়ামির গোলের খাতা খোলেন তিনি। প্রথমার্ধে ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় মায়ামি।দ্বিতীয়ার্ধেও চলে মেসি-শো। তবে এবার গোলদাতা নয়, ‘প্লে-মেকার’ হিসেবে মাতালেন তিনি। মাতেও সিলভেত্তি এবং তাদেও আলেন্দের (জোড়া গোল) তিনটি গোলেই প্রত্যক্ষ অ্যাসিস্ট ছিল মেসির।
প্লে-অফ পর্বে এখন পর্যন্ত গোল ও অ্যাসিস্ট মিলিয়ে মেসির অবদান ১২টি।ইন্টার মায়ামির জন্য এই ফাইনাল এক স্বপ্নের মতো। মেসি আসার আগের দুই মৌসুমে প্লে-অফে ওঠাই ছিল দলটির জন্য কঠিন। গত মৌসুমে প্রথম রাউন্ড থেকে বিদায় নেওয়া দলটি ২০২৩ সালে প্লে-অফেও উঠতে পারেনি। অথচ সেই দলই এবার শিরোপার দ্বারপ্রান্তে।আগামী শনিবার রাতে ইস্টার্ন কনফারেন্সের ফাইনালে মায়ামির প্রতিপক্ষ নিউইয়র্ক সিটি এফসি। আরেক সেমিফাইনালে তারা ১-০ গোল জিতেছে ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়নের বিপক্ষে। নিউইয়র্ককে হারাতে পারলে এমএলএস কাপের 'আসল' ফাইনালে উঠবে মায়ামি। ওই ম্যাচে জিতলেই মিলবে কাঙ্ক্ষিত শিরোপা।
খবর- সমকাল
নিউজ বাংলা চ্যানেল