ঢাকা টেস্টের প্রথম ইনিংসে মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাস সেঞ্চুরি তুলে নেন। ৪৭৬ রানে থামে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে ২৬৫ রানে অলআউট হয় আয়ারল্যান্ড। স্বাগতিকরা ২১১ রানের লিড পায়। দ্বিতীয় ইনিংসে চার ফিফটিতে ৪ উইকেটে ২৯৭ রানে ইনিংস ছাড়ে বাংলাদেশ। আইরিশদের ৫০৯ রানের লক্ষ্য দিয়ে ৩ উইকেট তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ।
আয়ারল্যান্ড ২৩ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ৮৩ রান করেছে। ক্রিজে আছেন হ্যারি টেক্টর ও কার্টুস ক্যাম্পার। এর আগে তাইজুলের শিকার হয়েছেন অ্যান্ডি বালর্বিনি (১৩) ও পল র্স্টালিং (৯)। হাসান মুরাদ ফিরিয়েছেন কেদে কারমাইকেলকে (১৯)।
সাদমান-মুমিনুলের সেঞ্চুরি মিস: দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের ওপেনার জয় ৬০ রান করে ফিরে যান। সাদমান সেঞ্চুরি আশা দিয়ে ৭৮ রানে অউট হন। মুমিনুলের আক্ষেপ আরও বেশি। তিনি ১০ চারের শটে ৮৭ রানে ক্যাচ দেন। মুশফিক ৫৩ রানে অপরাজিত ছিলেন।
ফলোঅন করায়নি বাংলাদেশ: প্রথম ইনিংসে আয়ারল্যান্ড ফলোঅন থেকে এড়ানো ১১ রানে পিছিয়ে ছিল। বাংলাদেশ দল চাইলে দ্বিতীয় ইনিংসে তাদের পুনরায় ব্যাটিংয়ে পাঠাতে পারত। কিন্তু নাজমুল শান্তরা আইরিশদের ফলোঅন না করিয়ে ব্যাটিংয়ে নামেন।
টাকার-নেইলের লড়াই: বাংলাদেশের রান চাপায় আয়ারল্যান্ড ৯৪ রানে ৫ উইকেট হারায়। সেখান থেকে লরকান টাকার, স্টিফেন দোহানি ও জর্ডান নেইল প্রতিরোধ গড়েন। টাকার ৭৫ রান করে অপরাজিত থাকেন। ৪৬ রানের ইনিংস খেলেন দোহানি। জর্ডান নেইল ৪৯ রান করে ফিরে যান। এর আগে ওপেনার পল র্স্টালিং ২৬ ও আন্দ্রে বালবির্নি ২১ রান করেন।
তাইজুলের তোপ: ঢাকা টেস্টে আয়ারল্যান্ডের প্রথম ইনিংস থেকে বাঁ-হাতি স্পিনার তাইজুল ৪ উইকেট নিয়েছেন। ২টি করে উইকেট নেন পেসার খালেদ মাহমুদ ও হাসান মুরাদ। পেসার এবাদত ও স্পিনার মিরাজের দখলে গেছে একটি করে উইকেট।
মুশফিক-লিটনের সেঞ্চুরি: মুশফিকুর রহিমের ১৩তম সেঞ্চুরির ইনিংস ১০৬ রানে থামে। তিনি ২১৩ বল খেলে পাঁচটি চারের শট ইনিংস সাজান। লিটন দাস ১৯২ বলে ১২৮ রান করে আউট হন। তিনি আটটি চার ও চারটি ছক্কা দ্রুত দলের রান বাড়িয়ে নেন। টেস্ট ক্যারিয়ারের পঞ্চম সেঞ্চুরিতে দেশের পঞ্চম ব্যাটার হিসেবে তিন হাজার রান ছাড়িয়েছেন তিনি। ফিফটির আশা দেওয়া মেহেদী মিরাজ ৪৭ রানে আউট হন।
মুশফিকের জুটি: ঢাকা টেস্টে ব্যাটিংয়ে নেমে ৫২ রানের ওপেনিং জুটি পায় বাংলাদেশ। সাদমান ইসলাম ও মাহমুদুল হাসান জয় যথাক্রমে ৩৫ ও ৩৪ রান করে সাজঘরে ফেরেন। চতুর্থ উইকেটে মুমিনুল হক ও মুশফিকুর রহিম ১০৭ রানের জুটি গড়েন। মুমিনুল ৬৩ রান যোগ করেন। লিটন দাস ও মুশফিকের জুটি দাঁড়ায় ৯০ রানের।
অ্যান্ডি ম্যাকব্রিনির ঘূর্ণি: প্রথম দিন আয়ারল্যান্ড হাতে থাকা ছয় বোলার ব্যবহার করলেও প্রথম চার ব্রেক থ্রুই দেন স্পিনার অ্যান্ডি ম্যাকব্রিনি। ইনিংসের শেষ দুই উইকেটও নেন তিনি। দ্বিতীয় দিন ম্যাথু হামফ্রিজ ও গাভিন হোয়ে দুটি করে উইকেট নেন।
খবর- সমকাল
নিউজ বাংলা চ্যানেল