পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবির একটি দল বিমানবন্দরের বহির্গমন এলাকায় অভিযান চালায়। দেশ ছাড়ার প্রস্তুতি নেওয়ার সময় সেখান থেকেই গোলাম সারোয়ারকে আটক করা হয়।
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানায়, জালিয়াতির মাধ্যমে তৈরি নথিপত্র ব্যবহার করে নিজেকে মিয়ানমারের নাগরিক হিসেবে পরিচয় দিতেন গোলাম সারোয়ার। ওই পরিচয়ের ভিত্তিতে তিনি ডেনমার্কের ট্রাভেল ডকুমেন্টও সংগ্রহ করেছিলেন।
বিভিন্ন বিভ্রান্তিকর তথ্যের মাধ্যমে ওমানে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন তিনি। তবে বিমানবন্দরের বহির্গমন এলাকায় ডিবির অভিযানের কারণে তাঁর সেই চেষ্টা সফল হয়নি।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার আমিনুর রশিদ বলেন, গোলাম সারোয়ার খান বড় সাজ্জাদের ফুফাতো ভাই এবং সহযোগী। তথ্য অনুযায়ী, বড় সাজ্জাদের অধীনে থেকে তিনি ঢাকা ও চট্টগ্রামে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন।
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভাষ্য অনুযায়ী, বড় সাজ্জাদ চট্টগ্রামের অপরাধজগতের আলোচিত একটি নাম। বর্তমানে তিনি বিদেশে অবস্থান করছেন। সেখান থেকেই হোয়াটসঅ্যাপসহ বিভিন্ন অনলাইন যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে দেশে থাকা সহযোগীদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে নির্দেশনা দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।
নিউজ বাংলা চ্যানেল