সিলেট টেস্টে ইনিংস ব্যবধানে জয়ের পথে বাংলাদেশ। দিনের শুরুতেই উইকেট দিয়ে এসেছেন ম্যাথু হাম্প্রেস (১৬)। তাইজুল ইসলামের ঘূর্ণিতে স্লগ সুইপ করতে গিয়েছিলেন, টপ এজ হয়ে বল উঠে যায় ওপরে। শর্ট ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ারে সাদমান ইসলাম নেন ক্যাচ।
লিটন ফেরার পর টেস্ট ক্যারিয়ারের ৩৮তম ম্যাচে অষ্টম সেঞ্চুরি তুলে নেন শান্ত। সর্বশেষ পাঁচ ইনিংসে তৃতীয় সেঞ্চুরি তার। গত জুনে শ্রীলংকা সফরে সিরিজের প্রথম টেস্টের দুই ইনিংসে ১৪৮ ও অপরাজিত ১২৫ রানের ইনিংস খেলেছিলেন তিনি।
১১২ বলে সেঞ্চুরি পাওয়ার পরই আউট হন শান্ত। অফ-স্পিনার এন্ডি ম্যাকব্রিনের বলে লেগ বিফোর আউট হন টাইগার দলনেতা। ১৪ চারে ১১৪ বলে ১০০ রান করেন শান্ত। এতে বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ব্যাটিং অর্ডারে উপরের সারির প্রথম চার ব্যাটারই (জয় ১৭১, সাদমান ইসলাম ৮০ ও মোমিনুল ৮২) অন্তত হাফসেঞ্চুরির দেখা পেলেন।
শান্তকে শিকার করে টেস্টে আয়ারল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারের রেকর্ড গড়েন ম্যাকব্রিন। ১০ টেস্টে ২৬ উইকেট আছে তার। ৭ টেস্টে ২৫ উইকেট নিয়ে তালিকার দ্বিতীয় স্থানে নেমে গেলেন পেসার মার্ক অ্যাডায়ার।
দলীয় ৫৪৫ রানে শান্ত ফেরার পর আরও ২ উইকেট হারিয়ে ৪২ রান যোগ করে ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ। ৮ উইকেটে ৫৮৭ রানে ইনিংস ঘোষণা করেন টাইগাররা। টেস্টে এটি বাংলাদেশের তৃতীয় এবং দেশের মাটিতে সর্বোচ্চ দলীয় ইনিংস। ফলে প্রথম ইনিংস থেকে ৩০১ রানের লিড পান টাইগাররা।
হামফ্রিজ ১৭০ রানে ৫ উইকেট নেন। এটি তার ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেরা বোলিং। ৩০১ রানে পিছিয়ে থেকে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করে দলীয় ১৪ রানে প্রথম উইকেট হারায় আয়ারল্যান্ড। ওপেনার কেড কারমাইকেলকে ৫ রানে বোল্ড করেন পেসার নাহিদ রানা।
দ্বিতীয় উইকেটে বাংলাদেশ বোলারদের সামনে প্রতিরোধ গড়ে ৮৩ বলে ৪৭ রান যোগ করেন আয়ারল্যান্ডের আরেক ওপেনার পল স্টার্লিং ও হ্যারি টেক্টর। ৭ চারে ৪৩ রান করে রান আউট হন স্টার্লিং।
দলীয় ৬১ রানে স্টার্লিং ফেরার পর আয়ারল্যান্ডকে ইনিংস হারের শঙ্কায় ফেলে দেন দুই স্পিনার তাইজুল ইসলাম ও অভিষিক্ত হাসান মুরাদ।
টেক্টরকে ১৮ রানে তাইজুল এবং কার্টিস ক্যাম্ফারকে ৫ ও লরকান টাকারকে ৯ রানে শিকার করেন মুরাদ। ফলে ৫ উইকেটে ৮৬ রানে দিন শেষ করেছে আয়ারল্যান্ড। ম্যাকব্রিন ৪ ও হামফ্রিজ শূন্য হাতে অপরাজিত আছেন। মুরাদ ৮ রানে ২টি, রানা ও তাইজুল ১টি করে উইকেট নেন।
আমাদের সময়/এআই