
গান, আলোচনা ও ফুলের শ্রদ্ধায় দিনব্যাপী নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৪৯তম মৃত্যুবার্ষিকী পালন করা হচ্ছে।
বুধবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে নজরুলের সমাধীতে ভিড় জমান কবির পরিবারের সদস্য ও অনুরাগীরা। আয়োজন করা হয় আলোচনা সভা ও সংগীতানুষ্ঠান।
নজরুলকে নতুন প্রজন্মের মাঝে জানাতে কেবল দিবসকেন্দ্রিক স্মরণ করাটাই যথেষ্ট নয় বলে মন্তব্য করেন কাজী নজরুল ইসলামের নাতনী খিলখিল কাজী।
তিনি বলেন, "নজরুল কতটা সংগ্রামের মধ্য দিয়ে গেছেন, তা নতুন প্রজন্মকে জানাতে হবে।"
বাংলা ১৩০৬ সনের ১১ জ্যৈষ্ঠ পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন কবি নজরুল ইসলাম। মৃত্যুর কয়েক বছর আগে তাকে বাংলাদেশে এনে নাগরিকত্ব ও জাতীয় কবির মর্যাদা দেওয়া হয়। ১৩৮৩ সনের ১২ ভাদ্র তিনি মারা যান।
১৯৭২ সালে নজরুলকে বাংলাদেশে নিয়ে আসা এবং নজরুল পরিবারের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের কথাও উঠে আসে খিলখিল কাজীর বক্তব্যে।
নজরুল রচনাবলী অনুবাদ নিয়ে কিছুটা আক্ষেপও ঝরে কবীর নাতনীর কণ্ঠে। তিনি বলেন, "কাজী নজরুল ইসলামের রচনা ও সংগীত আমাদের জাতীয় সম্পদ৷ কবি নজরুলের রচনাবলী বহির্বিশ্বে পৌঁছানোর জন্য সরকারের দায়িত্বশীল বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে আবেদন জানাচ্ছি৷
"নজরুল ইনস্টিটিউট থেকে কিছু অনুবাদ হয়েছে৷ তবে আরো ব্যাপক পরিসরে বাংলা একাডেমি থেকেও নজরুল রচনাবলী অনূদিত হতে পারত৷ কিন্তু তা হয়নি।"
এদিন বাংলা একাডেমির পক্ষ থেকেও নজরুলের সমাধীতে শ্রদ্ধা জানানো হয়।
এ সময় বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজমের কাছে নজরুলের অনুবাদ নিয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "বাংলা একাডেমি থেকে সম্পাদিত নজরুল রচনাবলী প্রকাশ হয়েছে। এছাড়াও নজরুলকে নিয়ে কিছু বই প্রকাশ হয়েছে।"