
নিজস্ব প্রতিবেদক
গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণ এবং দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্ব বন্ধসহ সাত দফা দাবিতে খুলনা অভিমুখে লংমার্চ শুরু করেছে ১১ দলীয় ঐক্য। শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৮টায় রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেট থেকে বিশাল গাড়িবহর নিয়ে এ কর্মসূচি শুরু হয়। আয়োজকদের প্রত্যাশা, ঢাকা থেকে কুষ্টিয়া পর্যন্ত প্রায় ৪১০ কিলোমিটারের এ লংমার্চে দেড় হাজার গাড়ি অংশ নেবে।
এর আগে সকাল সাড়ে ৭টায় বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য দেন। সাত দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
আয়োজকদের সূচি অনুযায়ী, লংমার্চের গাড়িবহর শরীয়তপুর, মাদারীপুর, ফরিদপুরের ভাঙ্গা, গোপালগঞ্জ ও বাগেরহাটের ফকিরহাট হয়ে রূপসা সেতু দিয়ে খুলনায় পৌঁছাবে। এরপর যশোর ও ঝিনাইদহ হয়ে কুষ্টিয়ার শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে গিয়ে কর্মসূচি শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
পথে বিভিন্ন স্থানে ধারাবাহিকভাবে পথসভা অনুষ্ঠিত হবে। সূচি অনুযায়ী, সকাল ৯টায় শরীয়তপুরের জাজিরার নাওডোবা, বেলা ১১টায় বাগেরহাটের ফকিরহাটের কাঁটাখালীর মোড়, দুপুর সাড়ে ১২টায় খুলনা মহানগরীর বাবরী চত্বর এবং দুপুর ২টায় ফুলতলা বাসস্ট্যান্ডের স্বাধীনতা চত্বরে পথসভা হওয়ার কথা রয়েছে।
এ ছাড়া বিকেল সাড়ে ৩টায় যশোরের মুড়লীর মোড় এবং বিকেল ৫টায় ঝিনাইদহ বাস টার্মিনালে পথসভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। সবশেষে রাত সাড়ে ৮টায় কুষ্টিয়ার শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে সমাপনী জনসভার মধ্য দিয়ে লংমার্চ শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে।
আয়োজকরা আশা করছেন, দীর্ঘ এই পথযাত্রা ও বিভিন্ন স্থানে পথসভার মাধ্যমে সাত দফা দাবি সাধারণ মানুষের সামনে তুলে ধরা এবং দাবি আদায়ে জনমত গড়ে তোলা সম্ভব হবে।