নিউজ বাংলা ডেস্ক : ঘরের মাঠে ম্যাচের প্রথম ১০ মিনিটেই দুই গোলে এগিয়ে গিয়েছিল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। তবে সেই সুবিধা ধরে রাখতে পারেনি রেড ডেভিলসরা। কারাবাও কাপের তৃতীয় রাউন্ডে ব্রাইটনের কাছে ৩-২ গোলে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিতে হয়েছে তাদের।
এই হারের মধ্য দিয়ে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে বিব্রতকর এক রেকর্ডের মুখোমুখি হয়েছে ম্যানইউ। ক্রীড়া পরিসংখ্যানভিত্তিক প্রতিষ্ঠান অপ্টার তথ্য অনুযায়ী, ৫০ বছর পর কমপক্ষে দুই গোলে এগিয়ে থেকেও ঘরের মাঠে ম্যাচ হারল দলটি। সর্বশেষ ১৯৭৬ সালে টটেনহামের বিপক্ষে ৩-২ গোলে হেরেছিল তারা।
ম্যাচের শুরুতেই ম্যানইউর আক্রমণাত্মক ফুটবলের প্রতিফলন দেখা যায়। ৮ মিনিটে বক্সের ভেতর থেকে বাঁ পায়ের বাঁকানো শটে গোল করেন শি লেচি। এর কিছুক্ষণ পরই ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ম্যাসন মাউন্ট। মার্কাস রাশফোর্ডের শট গোলরক্ষক প্রতিহত করলে বলটি বক্সের মধ্যে ফাঁকায় থাকা মাউন্টের কাছে যায়। সুযোগ কাজে লাগিয়ে জালে বল পাঠান তিনি।
বিরতির ঠিক আগে ম্যাচে ফেরার ইঙ্গিত দেয় ব্রাইটন। যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে সতীর্থের লম্বা ক্রস পেয়ে গোলরক্ষকের পায়ের ফাঁক দিয়ে বল জালে জড়ান কস্তুলাস। এতে ব্যবধান কমে আসে ২-১।
দ্বিতীয়ার্ধে মাত্র চার মিনিটের ব্যবধানে দুই গোল করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় ব্রাইটন। ৬৫ মিনিটে পাসকেল গ্রোব গোল করে দলকে সমতায় ফেরান। এরপর ৬৯ মিনিটে ম্যাক্সিম ডি কুপার গোল করলে অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন সম্পন্ন করে ব্রাইটন।
ম্যানইউর হজম করা তিন গোলেই ডিফেন্ডারদের ভুল ছিল। ডিয়েগো দালোত ও লেনি ইয়োরো ঠিকমতো ম্যান মার্কিং করতে পারেননি। পরে ব্রুনো ফার্নান্দেজ ও ম্যাথিয়াস কুনহাকে মাঠে নামিয়েও পরিস্থিতি বদলাতে পারেনি স্বাগতিকরা।
৭৭ মিনিটে সমতায় ফেরার সুযোগ পেয়েছিলেন রাশফোর্ড। গোলরক্ষককে একা পেয়েও শট জালে পাঠাতে পারেননি তিনি। তাঁর নেওয়া শট গোলবারের বাইরে চলে যাওয়ার আগে পা দিয়ে ব্লক করেন গোলরক্ষক জ্যাসন স্টেলি।
অন্যদিকে, ৮৪ মিনিটে ব্রাইটনের ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিলেন ডিয়েগো গোমেজ। কিন্তু বক্সের ভেতর থেকে নেওয়া তাঁর শট সরাসরি গোলরক্ষক কার্ল ডার্লোর শরীরে লাগে। চতুর্থ গোল না পেলেও ৩-২ ব্যবধানের জয় নিয়ে হাসিমুখেই মাঠ ছাড়ে ব্রাইটন।