নিউজ বাংলা ডেস্ক : ডার্বির একটি নাইট ক্লাবের বাইরে ইংল্যান্ডের পেসার ব্রাইডন কার্সকে হাতকড়া পরা অবস্থায় দেখা যাওয়ার পর নতুন করে আলোচনায় এসেছে ইংল্যান্ডের ক্রিকেট। ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)। ওই সময় ঘটনাস্থলে ছিলেন ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক বেন স্টোকসও। তবে কার্সের ঘটনায় স্টোকসের সংশ্লিষ্টতার কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তা কার্সকে ঘিরে রেখেছেন এবং তাঁর দুই হাত পেছনে নিয়ে হাতকড়া পরানো হয়েছে। এ সময় ডারহামের এক সতীর্থের সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায় তাঁকে। পাশে ছিলেন স্টোকসও।
কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে ডারহামের হয়ে খেলতে ডার্বিতে গিয়েছিলেন কার্স। ম্যাচটিতে ডারহাম ৩৩৮ রানের জয় পায়। ম্যাচ শেষ হওয়ার পর দলের কয়েকজন খেলোয়াড় উদযাপনের জন্য নাইট ক্লাবে যান। তখনই ঘটনাটি ঘটে বলে জানা গেছে। ওই ম্যাচে কার্স দুটি উইকেট নেন। অন্যদিকে স্টোকস দুই ইনিংসেই অর্ধশতক করার পাশাপাশি সাতটি উইকেট শিকার করেন।
ইয়াহু স্পোর্টস জানিয়েছে, পুলিশ কিছু সময়ের জন্য কার্সকে আটক রাখার পর কোনো অভিযোগ ছাড়াই ছেড়ে দেয়। তবে কী কারণে তাঁকে হাতকড়া পরানো হয়েছিল, সেটি এখনো স্পষ্ট নয়।
ঘটনাটি নিয়ে ইসিবি এক বিবৃতিতে জানায়, ডার্বিতে গত রাতে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনা সম্পর্কে তারা অবগত এবং বিষয়টি তদন্তাধীন। তদন্তের অগ্রগতির পর আরও তথ্য জানানো হবে বলেও জানিয়েছে বোর্ড।
তবে ঘটনাটিতে স্টোকসের উপস্থিতিই আলোচনাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এর আগেও নাইট ক্লাব-সংক্রান্ত ঘটনায় স্টোকস ও গাস অ্যাটকিনসনকে ইসিবির তদন্তের মুখোমুখি হতে হয়েছিল। পরে গুরুতর কোনো অপরাধ থেকে দুজনকেই অব্যাহতি দেওয়া হয়। তবে দলীয় নিয়ম ভঙ্গের কারণে তাঁদের লিখিত সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছিল।
এদিকে পাকিস্তানের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের ইংল্যান্ড দলে রয়েছেন কার্স। আগামী ২৭ আগস্ট লর্ডসে শুরু হতে যাওয়া ম্যাচে তাঁর অংশগ্রহণের বিষয়টি তদন্তের ফলাফলের ওপর নির্ভর করছে।
কার্সকে পুলিশি হেফাজতে হাতকড়া পরানো অবস্থার ভিডিওতে স্টোকসকে দেখে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্তদের মধ্যে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। একজন ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য করে লিখেছেন, ‘যেখানেই ঝামেলা, সেখানেই স্টোকস।’