
শুক্রবার বাংলাদেশ পুলিশের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বার্তায় জনগণকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বিভ্রান্তিকর ও উসকানিমূলক বক্তব্য সম্পর্কে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়।
বার্তায় পুলিশ জানায়, সম্প্রতি ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিয়ে একটি কুচক্রী মহল পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা, বানোয়াট, বিভ্রান্তিকর, উসকানিমূলক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে। এ ধরনের অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ।
পুলিশের দাবি, পতিত ফ্যাসিবাদী শক্তি ও তাদের দেশি-বিদেশি দোসররা জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা, পুলিশ বাহিনীর মনোবল দুর্বল করা এবং সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে এসব অপপ্রচার চালাচ্ছে।
বাংলাদেশ পুলিশ আরও জানিয়েছে, বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে জোরালো আইনি ব্যবস্থা নেওয়া এবং অপপ্রচারকারীদের অন্যায় তদবির গ্রহণ না করায় অসন্তুষ্ট একটি মহল মনগড়া তথ্য প্রচারে যুক্ত হয়েছে।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, এসব অপপ্রচারকারীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন ফৌজদারি অপরাধে অভিযুক্ত থাকার তথ্য রয়েছে। পাশাপাশি পুলিশসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে অন্যায় তদবির এবং অপপ্রচার বন্ধ রাখার শর্তে অর্থ দাবি করারও তথ্য-প্রমাণ রয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কোনো বিভ্রান্তিকর বা উসকানিমূলক বক্তব্য যাচাই ছাড়া বিশ্বাস, শেয়ার কিংবা প্রচার না করতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে পুলিশ।
একই সঙ্গে দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গুজব ও অপপ্রচার প্রতিরোধে সবাইকে সচেতন ভূমিকা রাখার অনুরোধ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ পুলিশ বলেছে, ভবিষ্যতেও এ ধরনের অপপ্রচার অব্যাহত থাকলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।