
নিজেস্ব প্রতিবেদন : ক্ষমতাচ্যুত ও দণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়ায় ভারতের সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি অভিযোগ করেছেন, এ ধরনের পদক্ষেপ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নিহতদের প্রতি অসম্মানের শামিল।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকালে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন রিজভী।
তিনি বলেন, “শেখ হাসিনা বাংলাদেশ থেকে পলাতক একজন আসামি। তাঁর বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডসহ বিভিন্ন মামলা রয়েছে এবং হত্যা ও দুর্নীতির অভিযোগে বিচার কার্যক্রম চলছে। এরপরও তাঁকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে, যা অত্যন্ত উদ্দেশ্যমূলক ও পরিকল্পিত।”
রিজভী বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যমান প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে দিতে অনুরোধ জানানো হলেও ভারত এ বিষয়ে কোনো সাড়া দেয়নি। বরং তাঁকে রাজনৈতিক বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে, যা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের শামিল।
তিনি আরও বলেন, “এটি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও জনগণের অনুভূতির প্রতি চরম অবমাননা। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে যারা শহীদ হয়েছেন, তাদের প্রতিও এটি অসম্মান।”
দেশের বর্তমান পরিস্থিতি প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, গ্যাস সংকট, হাম ও ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে সরকার কাজ করছে। তিনি দাবি করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে জনগণকে অগ্রাধিকার দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
তবে সরকারকে ব্যর্থ করতে একটি গোষ্ঠী দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন বিএনপির এই নেতা।