প্রিন্ট এর তারিখঃ Aug 5, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Aug 4, 2026 ইং
কিডনির সুস্থতায় যা প্রয়োজন

নিউজ বাংলা ডেস্ক:
কিডনি রোগীদের খাদ্যাভ্যাস
-
লবণ (সোডিয়াম) কম খান
-
প্রতিদিন ২ গ্রামের কম সোডিয়াম গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়।
-
ফাস্টফুড, প্রক্রিয়াজাত ও অতিরিক্ত লবণযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন।
-
রান্নায় লবণের বদলে প্রাকৃতিক মসলা ও ভেষজ ব্যবহার করুন।
-
টিনজাত খাবার ব্যবহারের আগে ভালোভাবে ধুয়ে নিন।
-
খাবারের লেবেলে সোডিয়ামের পরিমাণ দেখে কিনুন।
-
ফসফরাস নিয়ন্ত্রণে রাখুন
-
অতিরিক্ত ফসফরাস হাড় দুর্বল করতে পারে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
-
তাজা ফল ও শাকসবজি বেশি খান।
-
কোমল পানীয় কম পান করুন।
-
অতিরিক্ত দুগ্ধজাত খাবার সীমিত রাখুন।
-
মাংস, মাছ ও হাঁস-মুরগির মাংস পরিমিত পরিমাণে খান।
-
পটাশিয়াম নিয়ন্ত্রণ করুন
-
কিডনি দুর্বল হলে অতিরিক্ত পটাশিয়াম হৃদযন্ত্রের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
-
কলা, আলু, অ্যাভোকাডো ও তরমুজে পটাশিয়াম বেশি থাকে। এগুলো খাবেন কি না, তা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ঠিক করুন।
-
তুলনামূলক কম পটাশিয়ামযুক্ত ফল ও সবজি: আপেল, বরই, আনারস, বাঁধাকপি, সিদ্ধ ফুলকপি, ক্র্যানবেরি, স্ট্রবেরি, রাস্পবেরি ও ব্লুবেরি।
-
প্রোটিন গ্রহণে সতর্ক থাকুন
-
কিডনি রোগের অগ্রসর পর্যায়ে অতিরিক্ত প্রোটিন কিডনির ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে।
-
প্রয়োজনীয় প্রোটিনের পরিমাণ চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ অনুযায়ী নির্ধারণ করুন।
-
তরল গ্রহণ
-
রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে সাধারণত পানি সীমিত করার প্রয়োজন হয় না।
-
রোগ জটিল হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী তরল গ্রহণ নিয়ন্ত্রণ করতে হতে পারে।
কিডনি সুস্থ রাখতে করণীয়
-
স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস অনুসরণ করুন।
-
নিয়মিত ব্যায়াম করুন।
-
পর্যাপ্ত পানি পান করুন (চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুযায়ী)।
-
রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
-
অপ্রয়োজনে ব্যথানাশক ওষুধ সেবন করবেন না।
-
ধূমপান ও অতিরিক্ত লবণযুক্ত খাবার পরিহার করুন।
কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন?
নিচের যেকোনো লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত কিডনি বিশেষজ্ঞ (নেফ্রোলজিস্ট)-এর পরামর্শ নিন:
-
প্রস্রাবে পরিবর্তন
-
শরীর ফুলে যাওয়া
-
দীর্ঘদিন উচ্চ রক্তচাপ
-
ডায়াবেটিসের সঙ্গে কিডনি সমস্যার লক্ষণ
-
কিডনি রোগের অন্য কোনো উপসর্গ
স্বাস্থ্যকর খাদ্যতালিকায় থাকতে পারে
-
শাকসবজি
-
ফলমূল
-
পূর্ণ শস্য
-
মাছ
-
কম চর্বিযুক্ত দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার
-
ডাল
-
বাদাম ও বীজ
গুরুত্বপূর্ণ: এই ধরনের খাদ্যপরামর্শ সবার জন্য একইভাবে প্রযোজ্য নয়। বিশেষ করে যাদের দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগ (CKD) আছে বা যারা ডায়ালাইসিস নিচ্ছেন, তাদের খাদ্যতালিকা অবশ্যই চিকিৎসক বা নিবন্ধিত পুষ্টিবিদের পরামর্শ অনুযায়ী নির্ধারণ করা উচিত।
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ নিউজ বাংলা চ্যানেল